Summary
প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে উন্নত ও নিরাপদ করলেও বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করছে।
- পরিবেশ দূষণ: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা পোড়ানোতে বায়ুদূষণ ও পরিবেশের ক্ষতি হয়।
- রসায়ন ব্যবহার: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহারে মাটি ও পানি দূষিত হয়।
- অস্ত্র বৃদ্ধি: আধুনিক প্রযুক্তির ভয়াবহ প্রয়োগ হলো যুদ্ধের অস্ত্র প্রস্তুতি।
- অ্যাসরাধ: প্রযুক্তি ব্যবহার নেশায় পরিণত হতে পারে, সময়ের অপচয়ের কারণ হয়।
- স্বাস্থ্য সমস্যা: অতিরিক্ত টেলিভিশন বা কম্পিউটার ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করে কাজ করা হতে পারে।
প্রযুক্তি বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে মানুষের জীবনকে নিরাপদ, উন্নত ও আরামদায়ক করেছে। প্রযুক্তি আবার নানারকম সমস্যাও সৃষ্টি করছে।
পরিবেশ দূষণ
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে কয়লা পুড়িয়ে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করি কিন্তু এর ফলে বায়ুও দূষিত হয়। বায়ু দূষণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও এসিড বৃষ্টির মতো পরিবেশের উপর বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করছে। রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক অধিক খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য করে। এগুলো ব্যবহারের ফলে আবার মাটি এবং পানি দূষিত হয় যা জীবের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
অস্ত্র তৈরি
আধুনিক প্রযুক্তির সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ হলো যুদ্ধের অস্ত্র তৈরি ও এর ব্যবহার। যেমন— বন্দুক, বোমা, ট্যাংক ইত্যাদি।
অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাব
অনেক সময় প্রযুক্তির ব্যবহার নেশায় পরিণত হয়। টেলিভিশন ও কম্পিউটারের ব্যবহার যদি ভালো কাজে নিয়োজিত না হয়, তা আমাদের সময়ের অপচয় ঘটায়। নিয়মিত খেলাধুলা, ব্যায়াম ও মুক্তচিন্তার পথে প্রযুক্তি বাধা সৃষ্টি করে। এক নাগাড়ে এক ঘণ্টার বেশি টেলিভিশন দেখা বা কম্পিউটার ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আলোচনা
প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব কী কী?
১. নিচে ছকের মতো করে একটি ছক তৈরি করি।
| প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ |
|---|
২. ছকে প্রযুক্তির বিরূপ প্রভাবসমূহের একটি তালিকা তৈরি করি।
৩. সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করে কাজটি সম্পন্ন করি।
Read more